How to Activate Windows 7, 8 (Including 8.1),10 and 11
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন। আশা করি ভাল আছেন। আমিও মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে
ভাল আছি। আমরা যারা Windows
Operating System ব্যবহার করি তাদের জন্য অন্যতম একটি সমস্যা হলো Window Activate করা। আজকে Windows Activate নিয়ে বিস্তারিত লেখার প্রয়াস করছি।
আশা করি পুরো টিউটোরিয়াল জুড়ে আমার সাথে থাকবেন । তো চলুন শুরু করা যাক।
Using Genuine Windows:
আমরা জানি কম্পিউটার হলো হার্ডওয়্যার
এবং সফটওয়্যার এর সমন্বিত রুপ। কম্পিউটার ব্যবহার করতে হলে যেমন হার্ডওয়্যার ( যেমন
কিবোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদি ) ক্রয় করতে হয় তেমনি সফটওয়্যার ও ক্রয় করা প্রয়োজন।
মাইক্রোসফট কর্পোরেশন সারা বিশ্বে বিভিন্ন ডিলারের মাধ্যমে ( অনলাইন এবং অফলাইন) এবং
নিজস্ব ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার বিক্রয় করে থাকে। মাইক্রোসফট
কর্পোরেশন এবং তাদের ডিলারের নিকট থেকে সফট
ক্রয় করে ব্যবহার করা হলে তাকে জেনুইন সফটওয়্যার বলে। আমাদের জেনুইন সফটওয়্যার ব্যবহার
করা দরকার। এতে অনেক ধরনের সুবিধা পাওয়া যায় । ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার সহজে আক্রমণ করতে
পারেনা। খুবই দ্রুত কাজ করে। আপডেট এবং আপগ্রেড করার সুবিধা থাকে , অফিসিয়াল সাপোর্ট
পাওয়া যায় ইত্যাদি। সুতরাং আপনার সামর্থ থাকলে অবশ্যই জেনুইন সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন।
Windows Installation:
বিভিন্ন ভাবে কম্পিউটারে উইন্ডোজ ইন্সটল করা যায়। তবে সাধারণত বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দোকান থেকে ডিভিডি ডিস্ক ক্রয় করে ডিভিডি রাইটারের সাহায্যে এবং ইন্টারনেট থেকে ISO File Download করে পেনড্রাইভ এ বুটেবল করে উইন্ডেজা ইন্সটল করা হয়ে থাকে । দোকান থেকে ডিভিডি ডিস্ক ক্রয় করা হলে অনেক সময় Windows Activation করা থাকে। এটিকে Pre
activation বলা হয়। এটি জেনুইন হবে এমনটি নয়। জেনুইন হতে হলে অবশ্যই অথোরাইজড ডিলার
বা মাইক্রোসফট এর নিকট থেকে লাইসেন্স ক্রয়
করতে হবে।
Windows Activation or Activate কি?
সহজ কথায় Windows Activation or Activate হলো Microsoft Corporation কর্তৃক Windows Operating System এর স্বীকৃতি। আরো ভালভাবে বলা যায় Windows
Activation or Activate হলো Windows
Operating System বৈধভাবে ব্যবহার করার
প্রক্রিয়া।
Windows Activation or Activate না করলে কি হয়?
1. কম্পিউটার
এর পূর্ণ সুবিধা বা Full
Features ব্যবহার করা যায় না।
2. কম্পিউটার
স্লো কাজ করে।
3. বাব বার হ্যাং
করে
4. Water mark আসে বা বিরক্তির কারণ হয়ে দাড়ায়
ইত্যাদি।
5. সাপোর্ট পাওয়া
যায় না।
6. আপডেট পাওয়া
যায় না।
Windows Activation or Activate করার পদ্ধতি:
Pre
activation:
Windows
Install করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে Activate করা থাকে। আলাদাভাবে Activate করার প্রয়োজন হয়না। OEM License ক্রয় করা হলে Pre Activation করা থাকে। বাজারে যে সমস্ত ব্রান্ড
ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ পাওয়া তাতে অনেক সময় OEM License দেয়া থাকে।
Post Activation:
Windows
Install করার পরে Windows
Activate করা হলে তাকে Post Activation বলে । সাধারণত নিন্মোক্ত তিনটি উপায়ে Windows
Activation করা হয়ে থাকে।
License
Key:
এ
ক্ষেত্রে Windows Activation করার জন্য লাইসেন্স কী ব্যবহার করা হয়। এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে
জেনুইন লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
Using KMSPICO:
আমার আজকের আলোচনার
মুল বিষয় এটি। যারা Windows Operating System কয় করে ব্যবহার করতে চান না অথবা ক্রয়
করার সামর্থ নেই তাদের জন্য এটি প্রযোজ্য । এক্ষেত্রে ডিস্ক বা আইএসও ফাইল ব্যবহার
উইন্ডোজ ইনস্টল করা হয়ে থাকে। তবে আমি সাজেস্ট করা Microsoft এর অফিসিয়াল ওযেবসাইট থেকে আইএসও ফাইল ডাউনলোড
করে উইন্ডোজ ইন্সটল করার জন্য । এটি সবথেকে নিরাপদ এবং ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার মুক্ত।
উন্ডডোজ ইনস্টল করার পরে আপনাকে KMSPICO
Software Download করতে হবে। এবং এটি ব্যবহার
করে Windows
Activation করতে হবে । আপনি গুগলে সার্স করলে
KMSPICO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এর লিংক পেয়ে যাবেন। KMSPICO Software ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নিন্মোক্ত বিষয় গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে।
1.
Website
থেকে সর্বশেষ ভার্সন ব্যবহার করতে হবে।
2.
ইন্টারনেট
সংযোগ বন্ধ করতে হবে।
3.
এন্টিভাইরাস
Disable করতে হবে (যদি আপনি এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করেন।
)
4.
Windows
Defender & Windows Firewall Off করতে
হবে।
সুবিধা:
1.
সহজে এবং
বিনামুল্যে ডাউনলোড করা যায় ।
2.
ভাইরাস এবং
ম্যালওয়্যার মুক্ত
3.
ইন্টারনেট
সংযোগের প্রয়োজন নেই।
4.
এটি পারমানেন্ট
পদ্ধতি । প্রতি ৬ মাস পর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিনিউ হতে থাকে।
5.
Windows
Activate করার পাশাপাশি এটি দিয়ে Microsoft office এর বিভিন্ন ভার্সন Activate
করা যায়।
অসুবিধা:
1.
এটি দিয়ে
Microsot windows এর সব Edition Activate করা যায় না। তবে Pro
Series যেমন Windows 7 Pro, Windows 8.1 Pro, Windows 10
Pro, Windows 11 Pro Activate করা যায়।
[NB:
Windows Active করার পর আপনি
এন্টিভাইরাস, Windows
Firewall & Windows Defender On করতে পারবেন। ]
Using Notepad
যারা Windows Operating System কয় করে ব্যবহার করতে চান না অথবা
ক্রয় করার সামর্থ নেই তাদের জন্য এটি আরেকটি পদ্ধতি। এক্ষেত্রে আপনাকে MS Guide Website এর সাহায্য নিতে হবে।
আপনি গুগলে যেয়ে Windows
Activate Using CMD MS Guide লিখে সার্স করলে লিংক পেয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে
নিন্মোক্ত বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে।
1. MS Guide Website এ যেয়ে প্রযোজনীয় text কপি করতে হবে এবং নোটপ্যাডে পেস্ট করতে
হবে।
2. ফাইল (Activate.cmd) নামে যেকোন লোকেশনে সেভ করতে হবে।
3. এন্টিভাইরাস, Windows Firewall & Windows Defender off করতে হবে।
4. ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
5. Activate.cmd ফাইলটি Run
as Administrator Mode এ রান করতে
হবে।
[NB: Windows Active করার পর আপনি এন্টিভাইরাস, Windows Firewall & Windows Defender On করতে পারবেন। ]
My Recommendation About Using Windows Operating
System:
আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ হলো আপনার যদি সামর্থ থাকে বা আপনি যদি কোন very Sensitive/very Important data নিয়ে কাজ করেন তবে অবশ্যই জেনুইন Windows
Operating System ব্যবহার করবেন। Windows
Activate করা মানে জেনুইন নয় তাই আপনি
যেভাবে একটিভ্যাট করেনা না কেন। তাছাড়া জেনুইন Windows Operating System ব্যবহার করার
Experience অন্য রকম। তবে আপনি যদি কম্পিউটার শেখা শুরু করেন বা কম্পিউটারকে দিয়ে গেম বা বিনোদন
হিসাবে ব্যবহার করেন তবে আপনি ফ্রি Windows Operating System ব্যবহার করতে পারেন।
.jpeg)
No comments